লিমিটেড কোম্পানি, সোসাইটি, ফাউন্ডেশন, পার্টনারশিপ ফার্ম রেজিস্ট্রেশন
ও RJSC সংক্রান্ত সকল আইনী সেবা — সারা বাংলাদেশ জুড়ে
বি.এসসি, এলএল.বি, এলএল.এম
কোম্পানি আইন পরামর্শক
যুগ্ম সচিব — কোম্পানি আইনজীবী সমিতি
কোম্পানি, সোসাইটি, ট্রাস্ট, পার্টনারশিপ ফার্ম রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে RJSC-র যাবতীয় কাজ, TAX, VAT, আমদানি-রপ্তানি লাইসেন্স, ট্রেড মার্ক সহ ব্যবসায়িক আইনের প্রতিটি ক্ষেত্রে দক্ষ ও অভিজ্ঞ পরামর্শক হিসেবে সারা দেশ জুড়ে সেবা প্রদান করছেন।
ব্যবসায়িক ও কোম্পানি আইন সংক্রান্ত সকল সেবা এক ছাদের নিচে
প্রাইভেট লিমিটেড, পাবলিক লিমিটেড ও ওয়ান পার্সন কোম্পানি (OPC) রেজিস্ট্রেশন
RJSC-তে পার্টনারশিপ ফার্ম রেজিস্ট্রেশন, দলিল, নোটারি ও ফিস জমা
সমাজসেবা প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র তৈরি, NSI ভেরিফিকেশন ও রেজিস্ট্রেশন
শেয়ার হস্তান্তর, বরাদ্দকরণ, বিলুপ্তিকরণ, বার্ষিক রিটার্ন দাখিল
IRC (আমদানি) ও ERC (রপ্তানি) লাইসেন্স প্রাপ্তিতে সম্পূর্ণ সহায়তা
আপনার ব্র্যান্ড, লোগো ও ব্যবসায়ের নাম আইনীভাবে সুরক্ষিত করুন
ঢাকায় ই-ট্রেড লাইসেন্স ও সাধারণ ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়ন
TIN সার্টিফিকেট, ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন, বার্ষিক ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল
সামাজিক উদ্দেশ্যে অলাভজনক কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন ও পরামর্শ
দালাল ও প্রতারক চক্র থেকে দূরে থাকুন — লাইসেন্সপ্রাপ্ত পরামর্শকের মাধ্যমে নির্ভুল সেবা নিন
সরকার অনুমোদিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোম্পানি আইন পরামর্শক — ভুয়া দালাল নয়
B.Sc, LL.B, LL.M ডিগ্রিধারী — কোম্পানি আইনে গভীর তাত্ত্বিক ও বাস্তব জ্ঞান
ঢাকার অফিস থেকে সারা বাংলাদেশে কোম্পানি ও সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন সেবা
ন্যূনতম সময়ে দক্ষতার সাথে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন — অনাবশ্যক বিলম্ব নেই
আপনার ব্যবসায়িক তথ্য সম্পূর্ণ গোপনীয় ও নিরাপদ রাখা হয়
রেজিস্ট্রেশনের পরেও বার্ষিক রিটার্ন, অডিট, কমিটি পরিবর্তনে পরামর্শ
কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া — শুরু থেকে শেষ
RJSC থেকে আপনার কোম্পানির নামের ছাড়পত্র গ্রহণ। প্রস্তাবিত নাম জমা দিলে RJSC যাচাই করে অনুমোদন দেয়।
মেমোরেন্ডাম অব এসোসিয়েশন (সংঘ স্মারক) ও আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশন (সংঘ বিধি) প্রস্তুতকরণ।
প্রয়োজনীয় সকল দলিল, ছবি ও রেজিস্ট্রেশন ফিস RJSC-তে জমা দেওয়া।
যাচাই-বাছাই শেষে RJSC থেকে রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র প্রাপ্তি।
TIN সার্টিফিকেট, ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংক একাউন্ট খোলা, পেইড আপ ক্যাপিটাল জমা ও অডিট রিপোর্ট।
প্রতিটি ধরনের রেজিস্ট্রেশনের বিস্তারিত প্রক্রিয়া জানুন
বাংলাদেশে প্রচলিত কোম্পানি আইন অনুযায়ী দুই ধরনের কোম্পানি রয়েছে — প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি (কমপক্ষে ২ জন, সর্বোচ্চ ৫০ জন সদস্য) এবং পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (কমপক্ষে ৭ জন, সর্বোচ্চ সীমাহীন)।
সম্প্রতি ওয়ান পার্সন কোম্পানি (OPC) বিধান চালু হয়েছে — একজন ব্যক্তি একটিমাত্র OPC খুলতে পারেন, সর্বনিম্ন ২৫ লক্ষ টাকা পেইড আপ ক্যাপিটাল প্রয়োজন।
অনুমোদিত মূলধন (Authorized Capital): কোম্পানি শুরুর সময় সর্বোচ্চ মূলধনের যে সীমা নির্ধারণ ও অনুমোদন করা হয়।
পরিশোধিত মূলধন (Paid Up Capital): সকল পরিচালকের সর্বমোট বিনিয়োগ, যা রেজিস্ট্রেশনের পর নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাংকে জমা দিতে হয়।
রেজিস্ট্রেশন পরবর্তী: TIN সার্টিফিকেট → ট্রেড লাইসেন্স → ব্যাংক একাউন্ট → পেইড আপ ক্যাপিটাল জমা → প্রতিবছর অডিট রিপোর্ট, AGM ও রিটার্ন দাখিল → ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন।
দুই বা ততোধিক (সর্বোচ্চ ২০ জন) ব্যক্তি মিলে RJSC-তে পার্টনারশিপ ফার্ম রেজিস্ট্রেশন করা যায়।
প্রক্রিয়া: RJSC থেকে নামের ছাড়পত্র → ফার্মের বিনিয়োগ ১ লক্ষ টাকার মধ্যে হলে ২,০০০ টাকার স্ট্যাম্পে, আর ১ লক্ষের উপরে হলে ৪,০০০ টাকার স্ট্যাম্পে দলিল → নোটারি → RJSC-তে ফিস সহ জমা।
পরবর্তী: প্রতিবছর পার্টনারশিপ ফার্মের ট্যাক্স ফাইলের রিটার্ন দাখিল ও ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন।
সমাজ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান সোসাইটি/ফাউন্ডেশন রেজিস্ট্রেশনে কমিটিতে সর্বনিম্ন ৭ জন, সর্বোচ্চ অসংখ্য সদস্য থাকতে পারে।
প্রক্রিয়া: RJSC থেকে নামের ছাড়পত্র → গঠনতন্ত্র তৈরি ও স্বাক্ষর → ছবি লাগানো → ফিস সহ দাখিল → RJSC পরিদর্শন → NSI (জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা) ভেরিফিকেশন → পজিটিভ হলে সোসাইটি পাস।
পরবর্তী: প্রতিবছর RJSC-তে এক্সিকিউটিভ কমিটির তালিকা দাখিল করতে হয়।
কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনী কাজ। ভুলের কারণে কোম্পানির পরিচালকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হতে পারে এবং বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। তাই অবশ্যই কোম্পানি আইন বিষয়ে অভিজ্ঞ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত পরামর্শকের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করুন।
ক্লায়েন্টদের সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
সরাসরি অফিসে আসতে চাইলে অন্তত ২ ঘন্টা আগে কল করে আসুন
কোম্পানি, সোসাইটি বা পার্টনারশিপ ফার্ম রেজিস্ট্রেশন নিয়ে যেকোনো প্রশ্নে নির্দ্বিধায় কল করুন বা WhatsApp-এ মেসেজ করুন